পৃথিবীতে ব্যাঙ আছে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার প্রজাতির, কাকঁড়া আছে প্রায় ৭ হাজার প্রজাতির, বানরও আছে প্রায় ২৬০ প্রজাতির, আরো আছে হাজার প্রজাতির পাখি, পোকা-মাকড় ইত্যাদি। আমরা মানুষ বা Humans-রা hominidae বা great apes ফ্যামিলির অন্তর্ভুক্ত। এই ফ্যামিলিতে মানুষের সাথে আরো আছে Chimpanzees, Orangutans এবং Gorillas। এদেরও প্রত্যেকটির দুটি করে মোট ৬টি প্রজাতি আছে। কিন্তু আমাদের অর্থাৎ humans-দের প্রজাতি মাত্র একটি, সেটি হল Homo sapiens।
মনে কখনো প্রশ্ন জাগে কি, আমরা কেন একা? বিবর্তনের ইতিহাসে সবসময়ই কি একাই ছিলাম আমরা? নাকি আমাদের মত অন্য মনুষ্য প্রজাতিও ছিল?
উত্তর হচ্ছে, আজ থেকে ৩৫-৪০ হাজার বছর আগেই আমাদেরই মত অন্তত আরো একটি মনুষ্য প্রজাতি ছিল। এরা হল Homo neanderthalensis বা নিয়ানডারথালস। তারা ইউরোপের বুক জুড়ে প্রচন্ড ঠান্ডার মাঝে বেঁচে থাকার মত করে বিবর্তিত হয়েছিল। তাদের প্রধান খাদ্য ছিল নানা পশু-পাখির মাংশ। নিয়ানডারথালসদের সাথে আধুনিক মানুষের জেনেটিক পার্থক্য মাত্র ০.১২%। নিয়ানডারথালরা যখন ইউরোপ জুড়ে বিস্তৃত তখন আধুনিক মানুষের পূর্ব-পুরুষরা বিবর্তিত হয় আফ্রিকায়। আফ্রিকা থেকে আস্তে আস্তে তারা পাড়ি জমায় ইউরোপের পথে। আধুনিক মানুষের এই ইউরোপীয় পূর্বপুরুষদের বলা হয় Cro-Magnon। অতঃপর ইউরোপে দুইটি ভিন্ন প্রজাতির মানুষের মাঝে সাক্ষাত হয়। ধারনা করা হয় Cro-Magnon-দের আগমনেই নিয়ানডারথালদের বিলুপ্তি ত্বরান্বিত হয় কারন শিকারের কৌশল, বুদ্ধি, ভাবের আদান-প্রদান সবকিছুতেই Cro-Magnon-রা ছিল অগ্রবর্তী।
Cro-Magnon-দের এত বুদ্ধিমত্তার পিছনে রহস্য কি ছিল? একটি কারন ছিল তাদের খাদ্যাভাস। তারা প্রচুর মাছ শিকার করত। নানা গবেষনা থেকে এটা প্রমানিত মাছ আমাদের ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে অতি সহায়ক। বিশেষ করে যেসকল মাছে DHA (এক ধরনের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড) বিদ্যমান তারা বুদ্ধিমত্তা বিকাশে অত্যন্ত কার্যকরী।
সবশেষে, আমার একটা নিতান্ত ব্যক্তিগত ধারনার কথা বলব। কেউ দয়া করে আহত হবেন না আমার মনে হয় যেকোন দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বা সাগর পাড়ের মানুষ একটু বেশি বুদ্ধিমান। এটা মনে হয়, বেশি পরিমানে সামুদ্রিক মাছ খাবারই ফল। সে যাইহোক, মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ এখন ৪ নাম্বার।
তাই বেশি করে মাছ খান, মুরগী/ গরুর উপর চাপ কমান, বুদ্ধির ধার বাড়ান !
-০৮.১১.২০১৪
উত্তর হচ্ছে, আজ থেকে ৩৫-৪০ হাজার বছর আগেই আমাদেরই মত অন্তত আরো একটি মনুষ্য প্রজাতি ছিল। এরা হল Homo neanderthalensis বা নিয়ানডারথালস। তারা ইউরোপের বুক জুড়ে প্রচন্ড ঠান্ডার মাঝে বেঁচে থাকার মত করে বিবর্তিত হয়েছিল। তাদের প্রধান খাদ্য ছিল নানা পশু-পাখির মাংশ। নিয়ানডারথালসদের সাথে আধুনিক মানুষের জেনেটিক পার্থক্য মাত্র ০.১২%। নিয়ানডারথালরা যখন ইউরোপ জুড়ে বিস্তৃত তখন আধুনিক মানুষের পূর্ব-পুরুষরা বিবর্তিত হয় আফ্রিকায়। আফ্রিকা থেকে আস্তে আস্তে তারা পাড়ি জমায় ইউরোপের পথে। আধুনিক মানুষের এই ইউরোপীয় পূর্বপুরুষদের বলা হয় Cro-Magnon। অতঃপর ইউরোপে দুইটি ভিন্ন প্রজাতির মানুষের মাঝে সাক্ষাত হয়। ধারনা করা হয় Cro-Magnon-দের আগমনেই নিয়ানডারথালদের বিলুপ্তি ত্বরান্বিত হয় কারন শিকারের কৌশল, বুদ্ধি, ভাবের আদান-প্রদান সবকিছুতেই Cro-Magnon-রা ছিল অগ্রবর্তী।
Cro-Magnon-দের এত বুদ্ধিমত্তার পিছনে রহস্য কি ছিল? একটি কারন ছিল তাদের খাদ্যাভাস। তারা প্রচুর মাছ শিকার করত। নানা গবেষনা থেকে এটা প্রমানিত মাছ আমাদের ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে অতি সহায়ক। বিশেষ করে যেসকল মাছে DHA (এক ধরনের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড) বিদ্যমান তারা বুদ্ধিমত্তা বিকাশে অত্যন্ত কার্যকরী।
সবশেষে, আমার একটা নিতান্ত ব্যক্তিগত ধারনার কথা বলব। কেউ দয়া করে আহত হবেন না আমার মনে হয় যেকোন দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বা সাগর পাড়ের মানুষ একটু বেশি বুদ্ধিমান। এটা মনে হয়, বেশি পরিমানে সামুদ্রিক মাছ খাবারই ফল। সে যাইহোক, মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ এখন ৪ নাম্বার।
তাই বেশি করে মাছ খান, মুরগী/ গরুর উপর চাপ কমান, বুদ্ধির ধার বাড়ান !
-০৮.১১.২০১৪
No comments:
Post a Comment