Wednesday, April 20, 2022

প্রধানমন্ত্রী (পিএম) ফেলোশিপ

বাংলাদেশে চাকুরিজীবীদের মাঝে যাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ভাল এবং বিদেশে মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে চান, প্রধানমন্ত্রী (পিএম) ফেলোশিপ তাদের জন্য বর্তমানে এক পরম আকাঙ্ক্ষিত বিষয়। লোকমুখে এই ফেলোশিপ নিয়ে কিছু নেতিবাচক কথা প্রচলিত আছে, যেমন- এটি আমলাদের বিদেশে আমোদ-ফুর্তিতে পাঠানোর জন্য দেয়া হয়, বা এখানে এত টাকা দেয়া হয় যা দিয়ে দেশে ফিরে ফ্ল্যাট-বাড়ি কেনা যাবে, ইত্যাদি। যাইহোক, ব্যক্তিগত ইচ্ছা থেকে প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ সম্পর্কে একটু জানার চেষ্টা করলাম। যা জানলাম এবং যা বুঝলাম তা প্রশ্নোত্তর আকারে লিখছি, কারো জানার ইচ্ছা থাকলে পড়তে পারেন ... (১) এই ফেলোশিপ মূলত কাদের জন্য? - আমি যা বুঝেছি, সরকারী বা বেসরকারী চাকুরিজীবী, বা বেকার সবাই এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন যদি তারা Eligibility criteria পূর্ণ করেন। তবে যারাই আবেদন করুক (মাস্টার্স বা পিএইচডি), শেষপর্যন্ত যারা নির্বাচিত হবেন তাদের মাঝে ৭০% বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা, ২০% নন-ক্যাডার সরকারি কর্মকর্তা (যেমনঃ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকগণ) থাকবেন। যারা বেসরকারী পর্যায়ে চাকরি করছেন বা কিছুই করছে না তাদের ভাগ মাত্র ১০%। তবে আসলে যারা কোন চাকুরি করেন না, তারা আবেদন করতে পারলেও চূড়ান্ত বাছাইয়ে বাদ পড়ে যাবার সম্ভাবনা মোটামোটি নিশ্চিত। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, দু-একটি ক্যাডার সার্ভিস ব্যতীত বেশির ভাগকেই জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পিএইচডি গবেষনা শেখানোর কিছু নাই। তাদের যদি বিষয় ভিত্তিক জ্ঞানের দরকার হয়, তারা মাস্টার্স করতে পারে। একটা ভাল-মানের মাস্টার্সে আনুষংগিত জ্ঞানের পাশাপাশি গবেষনা নিয়েও ভাল ধারণাই দেয়া হয়। যেমন- প্রসাশন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তার বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, সাথে গবেষনা সম্পর্কে মোটামোটি ধারণা থাকলেই কিন্তু যথেষ্ট। তার কাজ যেহেতু গবেষনা ফান্ড লেখা, জার্নাল বা বই প্রকাশ করা নয়, তাই তার ৩-৪ বছর লাগিয়ে ট্যাক্সের টাকায় পরিপূর্ণ গবেষনা করার যৌক্তিকতা আমি দেখি না। তাই আমার মতে, অন্তত পিএইচডির ক্ষেত্রে ক্যাডার বা নন-ক্যাডার হিসেবে না করে ৮০% সরকারি কর্মকর্তাকে যোগ্যতার ভিত্তিতে এই ফেলোশিপ দেয়া যেতে পারে। বাংলাদেশের সরকারী গবেষনা ইন্সটিটিউটের সংখ্যা কম নয়, সেখানকার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের পিএইচডি করা বেশিরভাগ ক্যাডার সার্ভিসের লোকেরদের চাইতে অনেক বেশি প্রয়োজন। বাকি ২০% বাকিদের জন্য রাখা যেতে পারে। (২) এই ফেলোশিপে প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ আসলে কত? এটি কি ট্যাক্সের টাকার অপচয়? - শর্তসাপেক্ষে এই ফেলোশিপের আওতায় কোন ব্যক্তি মাস্টার্সে ৬৬ লাখ বা পিএইচডি-তে ২২০ লাখ টাকা (সর্বোচ্চ) পেতে পারেন। আমি হিসেব করে দেখেছি, কমনওয়েলথ স্কলার হিসেবে যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয় (যা ইউকে-র টপ টেন এবং বিশ্বে টপ হান্ড্রেড এর মাঝে আছে)-এ আমার পিএইচডি এর পেছনে বাংলাদেশী টাকায় কমনওথেলথ কমিশনের মোটামোটি ১২০ লাখ টাকা খরচ হবে। সে হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপে টাকার অংক বেশ বড় মনে হতে পারে। তবে এখানে খেয়াল রাখা দরকার, কেউ ফেলোশিপ পেলেই যে, সে পুরো টাকাটা হাতে পেয়ে যাবে, তা কিন্তু না। আসলে পৃথিবীর একেক দেশের একেক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি এর পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন। এই ফেলোশিপে সরকার সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়কে টিউশন ফি দিবে। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি অনেক বেশি হলে সরকার নির্বাচিত ফেলোর পেছনে বেশি টাকা ব্যয় করবে, কিন্তু ফেলো হাতে কোন অতিরিক্ত টাকা পাবে না। ফেলো বা স্কলার কেবলমাত্র নির্দিষ্ট হারে মাসিক ভাতা পাবেন জীবনযাপনের জন্য। এই নির্দিষ্ট মাসিক ভাতাটি দেশ অনুযায়ী ভিন্ন। তবে মোটামোটিভাবে ইউকে, ইউএস বা একই রকম দেশগুলোর জন্য মাসিক ভাতার পরিমান মাস্টার্সে ১৮০০ ডলার (প্রায় ১৩৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড) এবং পিএইচডিতে ২৩০০ ডলার (প্রায় ১৭৫০ পাউন্ড)। এর বাইরে বিভিন্ন ভাতা বাবদ (যেমনঃ সংস্থাপন ব্যয়, বইপত্র কেনা, ভ্রমন ব্যয়, সেমিনারে অংশগ্রহন) বাবদ পিএইচডিতে ১৭ হাজার বা মাস্টার্সে ৯.৫ হাজার ডলার প্রাপ্তির সুযোগ আছে। কমনওথেলথ স্কলারশিপে পিএইচডি বা মাস্টার্সের জন্য মাসিক প্রায় ১১৫০ (লন্ডনে হলে কিছু বেশি দেয়া হয়) দেয়া হয়। স্ত্রী বা বাচ্চা থাকলে আরো কিছু অতিরিক্ত দেয়া হয়। কমনওয়েলথ ভিসা/ প্লেনের ভাড়া ও অল্প কিছু ভ্রমণ ভাতাও দেয়। সে হিসেবে পিএম ফেলোশিপে টাকার অংক কিছুটা বেশি, তবে আমি মনে করি এটা ঠিকই আছে। কমনওথেলথ যা দেয় তা সুন্দরভাবে থাকার জন্য সর্বনিম্ন পরিমান। আমি মনে করি, যারা পড়াশুনা বা গবেষনা করতে আসবে, পরিবার নিয়ে নিশ্চিন্তভাবে থাকার জন্য পিএম ফেলোশিপে দেয়া টাকার পরিমান যথার্থ। তবে হ্যাঁ, নানাবিধ ভাতা দিয়ে হাত একদম পরিপূর্ণ করে দেবার একটা চেষ্টা দেখা যাচ্ছে, এই ভাতার পরিমাণ কমানো উচিত বলে আমার মনে হয়। (৩) পিএম ফেলোশিপের বাছাই প্রক্রিয়া কেমন? - আগেই বলেছি, এখানে আবেদন করার জন্য আগে Eligibility test পাশ করতে হবে। তো Eligibility criteria গুলো কি কি? (ক) টাইমস হায়ার এডুকেশন র‍্যাংকিং অনুযায়ী বিশ্বের প্রথম ২০০ (মাস্টার্সে) অথবা প্রথম ১০০ (পিএইচডিতে)-তে অবস্থানরত কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আনকন্ডিশনাল অফার লেটার থাকতে হবে। (খ) আইএলটি-এ ৬.৫ বা টোফেলে সর্বনিম্ন ৮৮ থাকতে হবে। (গ) বয়স ৪০ (মাস্টার্স) বা ৪৫ (পিএইচডি) এর কম হতে হবে। এটি খুব শক্ত ও সুন্দর Eligibility criteria এবং আমার মতে যারা শুধুমাত্র এই ক্রাইটেরিয়া পূর্ণ করতে পারবে তারা আসলে সবাই ভাল মানের পিএইচডি করার জন্য যথেষ্ট যোগ্য। যাইহোক, উপরোক্ত শর্তগুলো পূরণ করে যারা আবেদন করতে পারবে তাদের প্রাথমিক বাছাই হবে নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিং (৩০ মার্ক), আইএলটিএস বা টোফেল স্কোর (২০ মার্ক), মেট্রিক-ইন্টার-অনার্স-মাস্টার্সের ফলাফল (২০ মার্ক) এবং একটি স্টেটমেন্ট অফ পারপাস (এসওপি) লিখতে হবে (৩০ মার্ক), তার ভিত্তিতে (মোট ১০০ মার্ক)। যাইহোক, আমার মনে হয় এইখানে মূল প্রতিযোগিতাটি হবে এসওপি-তে। কারনটা হল, ধরেন কেউ আইএলটিসে ৮ (বা তার বেশি) পেল, সে ২০-এ ২০ পাবে, যে সর্বনিম্ন ৬.৫ পাবে সে পাবে ১৭ (এর চেয়ে কমের সুযোগ নাই)। আবার পিএইচডির জন্য যে ১ নাম্বার বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারণ করবে সে পাবে ৩০, আবার যে ১০০ তম করবে সে পাবে ২৭ (তার কম পাওয়া সম্ভব নয়)। সুতরাং এসওপি বাদে বাকি গুলোতে দুইজন ক্যান্ডিডেটের মাঝে গড়পড়তা ৭-৮ মার্কের বেশি পার্থক্য হবার সম্ভাবনা কম। আবার যেহেতু একটু সুন্দর করে প্ল্যান করলে ঐ ক্রাইটেরিয়াগুলোতে পূর্ণ মার্ক নিয়েই আবেদন করা সম্ভব তাই ঐ জায়গায় ব্যবধান বেশি হবার কথা না। মূল পার্থক্য হবে এসওপি-তে যেখানে লেখার মানের উপর সহজেই মার্কের বেশ কম-বেশি হতে পারে। প্রাথমিক বাছাইয়ে উর্ত্তীণরা চূড়ান্ত বাছাই মৌখিক পরীক্ষার সম্মুখীন হবে, যেখানে মৌখিক পরীক্ষার উপর ৫০ মার্ক, প্রার্থীর বর্তমান চাকুরিরত পদ SDG (Sustainable Development Goals) বাস্তবায়নের সাথে কতটা সম্পৃক্ত তার উপর ২০ মার্ক, চাকুরিকালের উপর ১০ মার্ক এবং বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিং-এর উপর ২০ মার্ক (মোট ১০০ মার্ক)। তো এই পর্যন্ত যারা আসবেন, তাদের বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিং-এ মার্ক ভালই হবার কথা (কারন না হলে প্রাথমিক বাছাইয়ে বাদ পড়তেন), চাকুরিকালের উপর সর্বনিম্ন মার্ক হতে পারে ৬ (সর্বোচ্চ ১০)। আর কর্মের সাথে এসডিজির সম্পৃক্ততা কোন মানদন্ডে বিচার করা হবে আমার জানা নাই, কারন সব চাকরি বা পেশার সাথেই এসডিজি কোন না কোনভাবে সম্পৃক্ত। তাই, আমার মতে তারাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হবে যারা মৌখিক পরীক্ষায় ভাল করবে। (৪) পিএম ফেলোশিপের প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া কতটা নিরপেক্ষ ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত? -এই বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত ছাড়া নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন, উচিত-ও নয়। আমি মোটামোটিভাবে নিশ্চিত এই প্রক্রিয়ায় যারা নির্বাচিত হচ্ছেন তারা সবাই অত্যন্ত মেধাবী ও যোগ্য, কিন্তু তারা কোন ধরনের রাজনৈতিক, পারিবারিক প্রভাব বা সুপারিশের সাহায্য ছাড়াই নির্বাচিত হচ্ছেন কিনা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না। এখানে যে জায়গায় আমি জোর দিব, তা হচ্ছে বাছাই প্রক্রিয়ার দুটি জায়গায়- প্রাথমিক বাছাইয়ে মূল প্রতিযোগিতা হয় এসওপি-তে (কেন তা আগে ব্যাখ্যা করেছি), এখন এসওপি-তো একজন মানুষই মূল্যায়ন করেন, কোন সফটওয়ার দিয়ে মূল্যায়ন করা হয় না। সেই মানুষেরা যদি মন্ত্রী-আমলা বা প্রভাবশালী কারো কাছ থেকে কারো জন্য সুপারিশ পান, তার জন্য কিছু নাম্বার বাড়িয়ে দেয়া অসম্ভব কিছু না। এই ব্যাপারটা আরো বেশিখাটে চূড়ান্ত পর্যায়ের মৌখিক পরীক্ষাতে। আপনারা যারা কিছু চাকুরির ভাইভা বা অন্যান্য ভাইভা দিয়েছেন তারা ভালভাবেই জানেন, প্রার্থীর ভাইভা কেমন হবে তা ভাইভাবোর্ড চাইলেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এখন এই বোর্ডে ঠিক কারা বসেন আমি জানি না, তবে তারা সিনিয়র মন্ত্রী, আমলা, রাজনীতিবিদ, প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের দ্বারা একদমই প্রভাবিত হন না, এটা বাংলাদেশের বাস্তবতায় বিশ্বাস করা অসম্ভব। একইরকম ব্যাপার ঘটে কমনওয়েলথ স্কলারশিপের মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে। এখানে মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাই আবেদন করে, তাই সবাই কম-বেশি ১ম-২য় হওয়া ভাল প্রোফাইলের লোকজন। কিন্তু এর মাঝেই দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেশি ছাত্রছাত্রী বা শিক্ষক এটা পায়, তার অন্যতম প্রধান কারন ইন্টারভিউ বোর্ডে ঢাবির শিক্ষক বেশি থাকে, আবার যে শিক্ষক যে বিভাগের তার বিভাগ থেকে কেউ থাকলে তাকে ফেবার দেয়ার একটা প্রছন্ন চেষ্টাও থাকে। সুতরাং সকল যোগ্যতা থাকলেও বোর্ডে দু-একজন আপনাকে আগে না চিনলে বা অন্য কোথা থেকে আপনার নামে না শুনলে সফল হওয়া কষ্টকর হয়। এখানে একটু বলে নেই, কমনওয়েলথ স্কলারশিপের চুড়ান্ত প্রতিযোগিতা হয় আন্তর্জাতিকভাবে যেখানে কমনওথেলথ কমিশন নানা দেশ থেকে নির্বাচন করা প্রার্থীদের মাঝ থেকে এক-তৃতীয়াংশ (বা তার অনেক কম যখন ওদের ফান্ডিং কম থাকে, যেমন গত বছর)-কে বাছাই করে। যাইহোক, প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপে এমন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোন প্রতিযোগিতা নাই। এর মানে এই নয়, এটা যারা পায় তারা কম যোগ্য এবং অন্য স্কলারশিপের প্রার্থী বেশি যোগ্য। যে কথাটা এখানে বলার চেষ্টা করছি, পিএম এবং কমনওয়েলথ দুইক্ষেত্রেই সুপারিশের বা ভাইভা-বোর্ডে চেনা-জানা লোকের একটা সুবিধা থাকতে পারে। (৫) নিরপেক্ষতা বাস্তবায়নে কি করা যেতে পারে? - আমার মতে পিএম ফেলোশিপের প্রাথমিক বাছাইটিকেই একটু বদলে মোটামোটি চূড়ান্ত রূপ দিলেই হয়, অফার লেটার, আইএলটিএস, পুর্ববর্তী পরীক্ষার সমূহের রেজাল্ট ও সাথে চাকুরী অভিজ্ঞতা বা অন্যান্য অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কিছু মার্ক, সব মিলিয়ে এখান থেকে ৯০% মার্ক দেয়া উচিত। ১০% এসওপি-তে দেয়া যেতে পারে, এসওপি নিয়ে এত ভাবার কিছু নাই, যে টপ ১০০ থেকে অফার লেটার আনতে পারে, সে ভাল এসওপি-ও লিখতে পারে, না পারলেও সমস্যা নাই, সে মেধাবী কাউকে দিয়ে অর্থের বিনিময়ে লিখিয়েও নিতে পারে। এইভাবে নির্বাচন করলে প্রভাবশালী ব্যক্তির প্রভাব খাটানোর জায়গা কমে আসে। পুনশ্চঃ আমার পরিচিত অনেকেই পিএম ফেলোশিপ বা কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়ে মাস্টার্স/পিএইচডি করেছে বা করছেন। তারা আমার লেখায় আহত হবেন না দয়া করে, আমি নিজেও কমনওথেলথ স্কলার। এটি কোন ব্যক্তি বিশেষের জন্য লেখা নয়। আমি জানি, প্রচলিত বাস্তবতার বাইরে সম্পূর্ণ নিজের মেধায় ও চেষ্টায়ও অনেকে এই ফেলোশিপ বা স্কলারশিপ পেয়েছেন বা পাবেন।

(২৯ মার্চ ২০২২)

No comments:

Post a Comment